আমাদের সম্পর্কে

ইসলামে মদ্যপান হারাম। এটা একটি নেশা জাতীয় পানীয়। মাত্রাতিরিক্ত পান করে মানুষ চৈতন্য হারায় বলেই মুসলমানরা এটাকে ‘হারাম’ বলেই বিবেচিত করে। মুসলিম দেশসমূহের সাধারণ হোটেলগুলোতে সাধারণের জন্য মদ্যপানের সহজ সুযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, মধ্যপানের পাশাপাশি নাচ-গান উপভোগ করার জন্য হোটেলের বারগুলো আকর্ষণীয় সাজে সারারাত উন্মুখ থাকে। মধ্যপ্রাচ্যের অনেকগুলো হোটেলে রয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন ভাষাভাষীর জন্য আলাদা আলাদা আয়োজন। তবে অতিরিক্ত মধ্যপানে রাস্তায় মাতলামী করলে পুলিশী হেনস্তা সম্মুখীন হতে হয়। পাকিস্তান আমলেও এখানে মদ্যপানের সুযোগ ছিল।শহরে শহরে পতিতালয় ছিল, বিভিন্ন ক্লাবে হাউজির নামে জুয়া ছিল, রেসকোর্স ময়দানে ছিল বিলাসী জুয়ার আসর-ঘোড়দৌড়। স্বাধীন বাংলাদেশে পা দিয়েই বঙ্গবন্ধু এসব অনাচার নিষিদ্ধ করেন। শারিরীক অসুস্থতায় মহিলারাও একসময় পথ্য হিসাবে সীমিত মদ্যপান করতেন। এলোপ্যাথি চিকিৎসার সহজ সুযোগের অভাবে হোমিওপ্যাথি আর আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা যখন জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল, তখন মৃত সঞ্জীবনী সুধা ছিল আয়ুর্বেদী পরিবারের সেরা উদ্ভাবন যা ছিল মহিলাদের স্রাব সমস্যায় শতভাগ কার্যকরী মহৌষধ। স্বাধীনতার পর এই সুরাও নিষিদ্বের তালিকায় আসে। এবং ঔষধটির দুষ্প্রাপ্যতায় অনেকেই বিদেশ নির্ভর হয়ে পড়েন। প্রবসীদের অনেকেই জরুরী পন্য হিসাবে বিদেশী মদ কিনে আনতেন।শুধু তাই নয়,বাচ্চাদের পেটের পীড়ার মহৌষধ হিসাবে বিদেশী নেশাজাতীয় পানীয় “গ্রাইফ ওয়াটার”র ব্যবহার ছিল আকাশচুম্বী–যা পান করে বাচ্চারা স্বস্হিতেই ঘুমাতেন। কাঁশির অনেক ঔষধেও নেশা মিশ্রিত থাকে–যা কাশিঁ থামিয়ে মানুষকে ঘুম পারিয়ে দেয়। এসব পান করে বিদেশে গাড়ি চালানো এখনো দন্ডনীয় অপরাধ।

হোম
পেজ
খুঁজুন
মেনু